‘৪৪০ হিন্দু পরিবারকে ফেরত নেওয়া হবে মিয়ানমারে’

৪৪০ হিন্দু পরিবারকে মিয়ানমারে ফেরত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসা দেশটির প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মিয়ানমার সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল রবিবার দ্বিতীয় দিনের মতো আলোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রথম দিনের আলোচনায় প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনের প্রস্তাব দেওয়া হলেও রোহিঙ্গারা এতে রাজি হয়নি। জাতিগত স্বীকৃতি ছাড়া তারা মিয়ানমারে ফিরতে নারাজ। এই প্রেক্ষাপটে ২৮ জুলাই রবিবার আবারও দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

একই বছরের ৬ জুন নেপিদোতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমার ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর মধ্যেও সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পর দীর্ঘদিন পার হলেও এর আওতায় কোনও শরণার্থী নিজ দেশে ফিরে যায়নি।

মানবাধিকার গ্রুপগুলো দাবি করে আসছে, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে বসবাসের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এমন প্রেক্ষাপটে শনিবার পররাষ্ট্র সচিব উ মিন্ট থোয়ে’র নেতৃত্বাধীন মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশের কক্সবাজারের কুতুপালং শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন।

Spread the love

Facebook Comments