১৫ হাজার কর্মহীন পরিবারকে ইসফাক আহসানের উপহার

করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন, অসহায় ও নিম্নবিত্তসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তরের কৃতিসন্তান আহসান গ্রুপের পরিচালক, শিল্পপতি এম ইসফাক আহসান। কোথাও কোথাও আবার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে।

এ পর্যন্ত তিনি হেল্পলাইনের মাধ্যমে মতলব উত্তর উপজেলা ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার ১৫ হাজার পরিবারকে উপহার হিসেবে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। যারাই হেল্পলাইনে সহযোগিতা চেয়ে কল করছেন তাদের বাড়িতেই পৌঁছে দেয়া হচ্ছে খাদ্যসামগ্রী। এতে করে উপকৃত হচ্ছে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের অসহায়-কর্মহীন মানুষজন।

১২ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলায় ৮ হাজার পরিবার এবং মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ৭ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এ কার্যক্রম প্রতিদিনই চলছে। এ খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৫ কেজি চাল, ৩ কেজি আলু, ২ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল ও এক কেজি পেঁয়াজ।

এই দুর্দিনে ইসফাক আহসানের উপহার পেয়ে কেঁদে ফেলেন বৃদ্ধা আমিরুনেচ্ছা। তিনি বলেন, আমার স্বামী মারা গেছে অনেক আগে। তিন সন্তানের মধ্যে দুই মেয়ে শ্বশুর বাড়িতে। আর একমাত্র ছেলে নারায়ণগঞ্জে পোশাক শ্রমিক। ঘরে খাবার ছিলো না। আল্লাহর রহমতে একজন চাল, ডাল, তেল দিয়ে গেছে।

এ বিষয়ে শিল্পপতি এম. ইসফাক আহসান বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউনে মানুষজন কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাই আমি মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। যারা হেল্পলাইনে কল করছে তাদের বাড়িতে স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দিচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত ১৫ হাজারেরও বেশি পরিবার এই উপহার-সামগ্রী গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে প্রথম ৫ হাজার পরিবারকে দেয়া হয়েছে চাঁদপুর জেলা পুলিশের সহযোগতায়। পুলিশ তাদের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে। তবে গত কয়েকদিন ধরে আমাদের নিজস্ব ভলান্টিয়ার মানুষজনের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে আসছে। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। যেকোন পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো।’

Facebook Comments