ফ্যাশনে টি-শার্ট

টি-শার্ট সাধারণত তুলা বা পলিয়েস্টার দিয়ে তৈরি হয়। কিছুক্ষেত্রে দুই ধরনের মিশ্রিত সুতা দিয়েও টি-শার্ট তৈরি হয়। এ দুইয়ের মিশ্রণে জার্সি ধরনের সেলাই করার ফলে টি-শার্ট আরও কোমল ও আরামদায়ক হয়ে ওঠে।

১৯৮০-এর দশক থেকে ব্যক্তিগত ভাবাবেগ প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে টি-শার্টের ব্যবহার শুরু হয়। ওই সময় ডিজাইনার ক্যাথরিন হ্যামনেট বড় করে স্লোগান ছাপানো টি-শার্টের ডিজাইন শুরু করেন। বর্তমানে স্লোগান ছাপানো টি-শার্ট আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয়। এছাড়া কয়েক বছর ধরে হাস্যরসাত্মক বার্তাবাহী টি-শার্টের প্রচলনও শুরু হয়েছে।

সাধারণত নৈমিত্তিক পোশাক হিসেবেই টি-শার্ট পরা হয়ে থাকে। টি-শার্টের ফ্যাশন সকল বয়সের নারী-পুরুষের মধ্যেই প্রচলিত ও তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের মতো পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোতে নারী-পুরুষ উভয়ের মাঝেই এর ব্যাপক ব্যবহার ও জনপ্রিয়তা দেখা যায়।

ইংরেজি ‘টি’ আকৃতির মতো দেখতে, তাই এ পোশাকটির নাম টি-শার্ট হয়েছে। টি-শার্টে সাধারণত কোনও বোতাম বা কলার থাকে না। শীত কিংবা গরম সব সময় নিজেকে ফিট রাখতে তরুণ-তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে থাকে টি-শার্ট।

শীতে তরুণরা একটু মোটা কাপড়ের ফুলহাতা টি-শার্ট পরলেও গরমে হালকা সুতি কাপড়ের হাফহাতা টি-শার্ট পরে। বর্তমানে হরেকরকম রঙ আর ডিজাইন দিয়ে টি-শার্ট তৈরি করা হয়। গোল গলা, কলার দেওয়া অথবা ভি-গলা, সব রকমের টি-শার্টই ছেলেদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। তবে টি-শার্টের উপর লেখা ওয়ান লাইনার কিন্তু ব্যাপক জনপ্রিয়।

টি-শার্ট সুতি হলেই তার সৌন্দর্য ফুটে ওঠে, তবুও ইদানিং উলেন ম্যাটেরিয়ালের হালকা ধরনের কিছু টি-শার্ট বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এক্ষেত্রে নিজেকে কী রং মানাচ্ছে সেটা বুঝে নেওয়া জরুরি। তবে এই পোশাকটির ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি ফিটিং হওয়া।

Facebook Comments