কৃষকদের এই সংকটে তাঁদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়বে ‘স্বপ্ন’ : সাব্বির হাসান নাসির

‘কষ্টের টাকায় শ্রেষ্ঠ বাজার’ এই স্লোগান নিয়ে ২০০৮ সালে দেশে রিটেইল চেইন ব্যবসা শুরু করে এসিআই লজিস্টিক লিমিটেডের ‘স্বপ্ন’। শুরু থেকেই ক্রেতাদের মন জয় করে এগিয়ে চলছে প্রতিষ্ঠানটি। শুধু ক্রেতা নয় ফসলের বিক্রেতা, কৃষক, চাষীদেরও আস্থার নাম হয়ে উঠছে ‌’স্বপ্ন’। সারাদেশ যখন করোনাভাইরাস সংক্রমনে লকডাউন অবস্থায় আছে, তখনও কৃষক, চাষীদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে দেশের বৃহত্তম এই সুপার শপটি।

দিনাজপুর সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা নিজের কিংবা পৈতৃকভাবে পাওয়া জমিতে প্রতিবছরই টমেটো চাষ করে থাকেন। তবে এবার দেশে লকডাউনের কারণে সেসব টমেটো উৎপাদনের পর বিক্রি নিয়ে তাঁদেরকে দু:শ্চিন্তার মধ্যে পড়তে হয়। কারণ হাট-বাজার বন্ধ থাকার কারণে কেউ ন্যায্যমূল্যে টমেটো কিনতে ইচ্ছুক ছিল না। এমন অসহায় কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে ‘স্বপ্ন’। দিনাজপুর সদর উপজেলার মাধবপুরে এমন অনেক কৃষকের টমেটো ন্যায্যমূল্যে এরইমধ্যে কিনেছে ‘স্বপ্ন’।

সেখানের বেশিরভাগ কৃষকরা জানান, স্বপ্নের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে টমেটো নিয়ে তাঁদের দু:দর্শার চিত্র দেখে এ অঞ্চলের বিভিন্ন কৃষকদের কাছ থেকে ট্রাকে বোঝাই করে ন্যায্যমূল্যে টমেটো কিনেছেন। এ প্রসঙ্গে স্বপ্ন’র হেড অফ পার্চেজ সাজ্জাদুল হক বলেন, ‘এবারের সংকটটা ছিল ভিন্ন রকম। করোনার প্রাদুর্ভাবে তাঁদের পণ্যগুলো কেউ বাজারে কিনতে পারছিল না। তাই বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর দেখার পর আমরা সিদ্ধান্ত নেই যে এসব কৃষকদের পাশে আমরা দাঁড়াবো। যোগাযোগ করে তাঁদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে টমেটো কিনেছি আমরা। এর আগে দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনার এই দু:সময়ে কষ্টে থাকা অনেক কৃষকদের পাশে ‘স্বপ্ন’ দাঁড়িয়েছে।’

‘স্বপ্ন’র নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, ‘কৃষকদের এই সংকটে তাঁদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়বে ‘স্বপ্ন’। যেখানেই সংকট আর বিপর্যয় কৃষকের জন্য কাল, সেখানেই পৌঁছে যাবে ‘স্বপ্ন’।’

Spread the love

Facebook Comments