এই শীতে বেশি করে আনারস খান

কখনও তাপমাত্রার পারদ নামছে ১১ ডিগ্রির নীচে তো আবার কখনও তাপমাত্রার পারদ উর্ধ্বমুখী। খামখেয়ালি আবহাওয়ায় শরীর সুস্থ রাখাও দুষ্কর। তাই তো সর্দি, কাশি, গায়ে ব্যথার মতো ছোট ছোট সমস্যা যেন লেগেই রয়েছে। অনেকেই আবার কাশির জেরে রাত্রিবেলা ঠিকমতো ঘুমোতে পারছেন না। রোগ সারাতে চাইলে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ তো খেতেই হবে। কিন্তু তার আগে ঘরোয়া টোটকাতেই যদি সেরে যায় রাত্রিবেলার শুকনো কাশি, তবে কেমন হয়? আপনার জন্য রইল টিপস।

শীতের খামখেয়ালিপনার কাশিকে সারাতে ব্রহ্মাস্ত্রের মতো কাজ করতে পারে আনারস। এই ফলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট। তার ফলে এই ফলের রস যেমন কাশি সারাতে পারে তেমনই আবারও হজম শক্তি বৃদ্ধিতেও অব্যর্থ আনারস। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়াতে পারে আনারস। অ্যালার্জি প্রতিরোধেও আনারসের জুড়ি মেলা ভাল। কিন্তু যেভাবে ইচ্ছা হল আনারস খেলেই উপকার মিলবে তা নয়। তাই জেনে নিন কীভাবে আনারস খেলে উপকার পেতে পারেন।

খুব সাবধানে আনারসের খোসা ছাড়ান। এবার ধীরে ধীরে ছোট ছোট মাপে কেটে নিন। ফ্রুট জুসারের সাহায্যে রস তৈরি করুন। এবার একটি কাপের অর্ধেক পর্যন্ত আনারসের রস নিন। তাতে এক চামচ মধু মেশান। ওই মিশ্রণ খেয়ে নিন। মধু এবং আনারস আপনাকে কাশি থেকে মুক্তি দেবেই।

আনারসের রসের সঙ্গে মধুর পাশাপাশি নুন এবং সামান্য গোলমরিচের মিশ্রণ তৈরি করে রাখুন। এবার ওই মিশ্রণটি দিনে তিনবার খান। ২-৩ দিনের মধ্যে উপকার যে মিলবে তা হলফ করে বলা যায়।

আনারসের রসের পাশাপাশি দিনে দু’বার করে খেতে পারেন আদা দেওয়া চা। ওষুধ না খেয়েও দেখবেন উপকার মিলবেই।

তবে আনারস খাওয়ার পর যদি দেখেন কোনও শারীরিক সমস্যা হচ্ছে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নইলে রোগ সারাতে গিয়ে আরও বিপদে পড়তে পারেন। তাই সাবধান হওয়াই ভাল।

Spread the love

Facebook Comments