আমাদের আয়নাগুলো সচেতনতার আয়না হয়ে উঠুক : অমিতাভ রেজা

দেশে সাড়া জাগানো চলচ্চিত্র ‘আয়নাবাজি’। আয়নাবাজির আয়না সেই যে ছদ্মবেশে বেড়িয়ে গেলো, এরপর যেন পুরোটাই নিরুদ্দেশ! ওদিকে আয়নাবাজির নির্মাতা অমিতাভ রেজা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানান, ‘আবার আয়নাবাজি। আবার আয়না, হৃদি এবং ক্রাইম রিপোর্টার সাবের। সাড়ে তিন বছর পর আবার একসঙ্গে হয়েছি আমরা, নিজ নিজ ঘরে বসে। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯–জনিত রাজমারির এই কালে আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, থমথমে। এর মধ্যেই আমাদের এই এক হওয়াটা হয়তো একটু সুবাতাস। সবাই মিলে ভালো থাকার সামান্য চেষ্টা। ঘরবন্দী থেকেও সবাই সবার পাশে থাকা। সীমিত সামর্থ্যগুলো পাশাপাশি জোড়া লাগালেই আমরা হয়তো একটা ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে যেতে পারব। আমাদের আয়নাগুলো সচেতনতার আয়না হয়ে উঠুক। সাড়ে তিন বছর পর আয়নাবাজির এই পুনর্মিলনীর জন্য চঞ্চল চৌধুরী, নাবিলা ও পার্থ বড়ুয়াকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।’

অন্যদিকে আয়নাবাজির প্রযোজক জিয়াউদ্দিন আদিলের কথাতেও যেন রহস্য। কিছু একটা রান্না হচ্ছে নিশ্চয়ই!

কোভিড-১৯ এর ধকলে জর্জরিত বিশ্ব। বাংলাদেশ আর বাংলাদেশের বিনোদন পাড়াওতো ভিন্ন নয়। সকলেই রয়েছেন বাসায়। কী করতে যাচ্ছেন তাহলে এই আয়নাবাজির দল! আয়নাবাজির আয়নাকে কি আবারো ফিরিয়ে আনার কোন চেষ্টা থাকবে? কিন্তু লকডাউনের মধ্যে আয়না বের হয়ে কই যাবে? জেলখানায়তো নিশ্চয়ই নয়! আর আয়না’ই যে ফিরে আসছে সেটাও কিন্তু নিশ্চিত নই আমরা কেউই।

আসলে সন্দেহটা রোববার রাত থেকে ঘনীভূত হয়েছে। কথা নেই, বার্তা নেই, অমিতাভ রেজা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলেন, করোনা’র এই সংকটে আয়নাবাজি নিয়ে কিছু একটা ভাবছি। কী করা যায় দেখি…।

তবে সকলেই কিন্তু জানেন, অমিতাভ শুধু শুধু এই স্ট্যাটাস দেননি। সৃষ্টিশীলতার মাঠে অনেক পুরনো খেলোয়াড় তিনি। কিভাবে শিল্পকে সমাজের বিভিন্ন সংকটে কাজে লাগাতে হয়, এসবই তার নখদর্পনে!

আয়নাবাজির প্রযোজক জিয়াউদ্দিন আদিলের সঙ্গে কথা হলো। তিনিও বললেন, আয়নাবাজির কথা। করোনার সংকটে আয়নাবাজি’র থিম বা চরিত্রগুলোতো বসে থাকতে পারে না! কিছু একটা করা প্রয়োজন। কিন্তু কী করবেন বা কি হচ্ছে, জানালেন না তিনি!

ভাল কিছুকে এগিয়ে নিতে আদিলের যে মুন্সীয়ানা, সেটাওতো জানা সকলের। তবে করোনা সংকটে কি করতে যাচ্ছে আয়নাবাজির দল?

Spread the love

Facebook Comments